প্রকাশিত: Thu, Jan 25, 2024 7:36 PM
আপডেট: Thu, Jun 4, 2026 10:58 AM

[১]প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর ‘ভারত-বিরোধী অবস্থানের’ সমালোচনায় মালদ্বীপের দুই বিরোধী দল

ইকবাল খান: [২] ‘ভারত-বিরোধী অবস্থান’ দেশের জন্য ‘অত্যন্ত ক্ষতিকর’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান দুই বিরোধী দলের নেতারা।

[৩] আনন্দবাজার জানায়, মালদ্বীপে চিনা জাহাজের নোঙর করার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই মুইজ্জু সরকারের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছেন দেশটির দুই বিরোধী দল। 

[৪] ‘মালদ্বীভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি (এমডিপি)’ এবং ‘দ্য ডেমোক্র্যাট’ দলের নেতাদের মতে, মুইজ্জুর ‘ভারত-বিরোধী অবস্থান’ দেশকে বড়সড় বিপদের মধ্যে ফেলতে পারে। 

 [৫] এমডিপি এবং ডেমোক্রেট দলের পক্ষে একটি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘এমডিপি এবং ডেমোক্রেট, উভয় দলই বিশ্বাস করে যে উন্নয়নে সাহায্য করে এমন বন্ধুকে দূরে সরিয়ে দেওয়া এবং বিশেষ করে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুকে দূরে ঠেলে দেওয়া আমাদের দেশের জন্য ক্ষতিকর হবে। দেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের জন্যও এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ক্ষতিকর।’’

[৬] পুরো বিষয়টি নিয়ে এমডিপির চেয়ারপার্সন ফইয়াজ ইসমাইল, মালদ্বীপের আইনসভার ডেপুটি স্পিকার আহমদ সেলিম, এবং ডেমোক্রেট প্রধান হাসান লতিফ এবং নেতা আলি আজিম যৌথ ভাবে একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজনও করেন।

[৭] মালদ্বীপের ৮৭ সদস্যের আইনসভায়, যৌথ ভাবে ৫৫টি আসন এমডিপি এবং ডেমোক্রেট নেতাদের দখলে।

[৮] প্রসঙ্গত, গত ১১ জানুয়ারি চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সে দেশের রাজধানী বেইজিংয়ে বৈঠক করেন মুইজ্জু। সেখানেই ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে মালদ্বীপের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছিলেন জিনপিং। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ওই বৈঠকেই চীনকে তাঁদের ‘পুরনো বন্ধু এবং ঘনিষ্ঠতম সহযোগী’ বলেন মুইজ্জু।

[৯] চীন সফর থেকে ফিরেই মুইজ্জু মালদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা সরানোর জন্য ১৫ মার্চের ‘চরম সময়সীমা’ ঘোষণা করেছেন। ২০১০ সাল থেকে একটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে প্রায় ১০০ জন ভারতীয় সেনা মলদ্বীপে রয়েছেন।